বাসস দেশ-২০ : কক্সবাজার হতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ পর্যটন নগরী: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

566

বাসস দেশ-২০
সেমিনার- ঘুড়ি উৎসব
কক্সবাজার হতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ পর্যটন নগরী: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
কক্সবাজার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ (বাসস) : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, কক্সবাজার পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। তাই এটি হতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ পর্যটন নগরী।
আজ কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জাতীয় ঘুড়ি ফেডারেশন আয়োজিত ‘চাই নির্মল সৈকত ও সাগরের কক্সবাজার’ র্শীষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম নিয়ামুল নাসের।
বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন, বাপার সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুল মতিন, বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান মৃধা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আশরাফ হোসেন
জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, কক্সবাজারের পরিবেশ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে এবং সমুদ্র রক্ষায় জনগণকে সচেতন করতে হবে। তবেই সমুদ্রের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকবে এবং আমরা পর্যটনবান্ধব নিরাপদ ও নির্মল সমুদ্রের কক্সবাজার নতুন প্রজন্মকে উপহার দিতে পারব।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে সমুদ্র বিজয় অর্জিত হয়েছে। ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক সাফল্যের ফলে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমার শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির ফলে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা সর্বমোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল লাভ করেছি, যা মূল ভূ-খন্ডের প্রায় ৮০.৫১ শতাংশ। তিনি বলেন, সমুদ্রসম্পদ বা ব্লু-ইকোনমি বাংলাদেশের উন্নয়নে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে। বর্তমান সরকার ব্লু-ইকোনমি বা সমুদ্রসম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার সুনিশ্চিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
প্রতিমন্ত্রী আজ কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশন আয়োজিত ‘জাতীয় ঘুড়ি উৎসব ২০১৯’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও বক্তব্য রাখেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন ও বাংলাদেশস্থ চীনের রাষ্ট্রদূত জাং জু ও ঘুড়ি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান মৃধা প্রমুখ।
প্রতিমন্ত্রী রাসেল বলেন, ঘুড়ি আমাদের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। প্রাচীনকাল থেকে মেলা, পূজা-পার্বণসহ নানাবিধ অনুষ্ঠানমালাকে আনন্দময় করার জন্য ঘুড়ির প্রচলন। বর্তমানে আমাদের সংস্কৃতির অনেক কিছুর মতো ঘুড়িকে আমরা ভুলতে বসেছি।
তিনি বাঙালি সংস্কৃতির এই আবেগময় ঐতিহ্য ঘুড়ির হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং বিশ্বের আধুনিক বর্ণিল ঘুড়ির আবেদন দেশে ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেড়ারেশনের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
বাসস/তবি/এমএআর/এবিএইচ