বাজিস-১২ : নওগাঁয় সোয়া ৩ লাখ গ্রাহকের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান ॥ নির্মাণ ব্যয় ৮৫২ কোটি ১১ লাখ টাকা

774

বাজিস-১২
নওগাঁ-বিদ্যুৎ সংযোগ
নওগাঁয় সোয়া ৩ লাখ গ্রাহকের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান ॥ নির্মাণ ব্যয় ৮৫২ কোটি ১১ লাখ টাকা
নওগাঁ, ৩১ মে, ২০১৮ (বাসস) : নওগাঁ জেলায় বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে পল্লী বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ২৫ হাজ্রা ৮৭৬টি পরিবারের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছে। সর্বমোট ৫ হাজার ৪৩৭ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার লাইন স্থাপনের মাধ্যমে এসব পরিবারের মোট সুবিধাভোগী জনগনের সংখ্যা ১৩ লাখ ৬৬ হাজার ৯৩০ জন। এই বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৮৫২ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে গত ২০১৪ সাল হতে এপ্রিল ২০১৮ মাস পর্যন্ত নওগাঁ জেলায় দু’টি পৃথক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছে। নওগাঁ জেলা সদরে অবস্থিত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর মাধ্যমে নওগাঁ সদর, নিয়ামতপুর, মান্দা, রানীনগর, আত্রাই ও বদলগাছি এই ৬টি উপজেলায় এবং পতœীতলা উপজেলা সদরে অবস্থিত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মাধ্যমে পতœীতলা, ধামইরহাট, সাপাহার, পোরশা এবং মহাদেবপুর এই ৫টি উপজেলায় গ্রাহকদের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর জেনারেল ম্যানেজার মো. এনামুল হক প্রামানিক বলেছেন, তার সমিতির আওতায় ৬টি উপজেলায় মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৫৩ জন গ্রাহকের মধ্যে ১ হাজার ৭৮৫ দশমকি ৭৫ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করা হয়েছে। এ জন্য মোট ব্যয় হয়েছে ২৬৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এসব বিদ্যুৎ লাইনে মোট সুবিধাভোগী জনগনের সংখ্যা ৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৩৮ জন।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার নুরুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, তার সমিতিভুক্ত ৫টি উপজেলায় এ সময়ে মোট ১ লাখ ৯৯ হাজার ২৩ জন গ্রাহকের মধ্যে ৩৬৫ দশমিক ৭০ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করা হয়েছে। এ জন্য মোট ব্যয় হয়েছে ৫৮৪ কোটি ২৭ লাখ ২০ হাজার টাকা।
উপজেলা ভিত্তিক গ্রাহক সংখ্যা, বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন, সুবিধাভোগী ও নির্মাণ ব্যয় হচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর আওতায় সদর উপজেলায় গ্রাহক সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৮ জন, বিতরণ লাইন ২৪৯ দশমিক ৪০ কিলোমিটার, সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৮৫ হাজার ৮০৬ জন এবং নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৩৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
নিয়ামতপুর উপজেলায় মোট গ্রাহক সংখ্যা ২১ হাজার ৪৮৪ জন, বিতরণ লাইন ৪৩২ দশমিক ৬৫ কিলোমিটার, সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬৭৮ জন এবং নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৬৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
মান্দা উপজেলায় মোট গ্রাহক সংখ্যা ২৮ হাজার ২৩৭ জন, বিতরন লাইন ৩৫১ দশমিক ৮৭৪ কিলোমিটার, সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৬ জন এবং নির্মান ব্যয় হয়েছে ৫২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
রানীনগর উপজেলায় মোট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে ২০ হাজার ৩২৫ জন গ্রাহকের মধ্যে, বিতরন লাইন ২৪৮ কিলোমিটার, সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৯১ হাজার ৪৬২ এবং এতে নির্মান ব্যয় হয়েছে ৩৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।
আত্রাই উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের মোট গ্রাহক সংখ্যা ২২ হাজার ৬৬৪ জন, বিতরন লাইনের পরিমান ২৯২ দশমিক ৪৪৬ কিলোমিটার, সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১ হাজার ৯৮৮ জন এবং এতে মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৪৩ কোটি ৮৬ রাখ টাকা।
বদলগাছি উপজেলায় মোট গ্রাহক সংখ্যা ১৫ হাজার ৭৫ জন, বিতরণ লাইন ২১১ দশমিক ৩৮ কিলোমিটার, সুবিধাভোগী জনগনের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৮৩৮ জন এবং এতে মোট নির্মান ব্যয় হয়েছে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এ আওতায় পতœীতলা উপজেলায় মোট গ্রাহক সংখ্যা ৪৬ হাজার ৫৪১ জন, বিতরন লাইন ৭৩৮ দশমিক ৩৩ কিলোমিটার, সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজার ১৬৪ জন এবং এতে নির্মান ব্যয় হয়েছে ১১৮ কোটি ১৩ রাখ ২৮ হাজার টাকা।
ধামইরহাট উপজেলায় মোট গ্রাহক সংখ্যা ৩৩ হাজার ৬৩১ জন, বিতরণ লাইনের পরিমান ৬০৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার, সুবিধাভোগী জনগণ ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫২৪ জন এবং মোট নির্মান ব্যয় হয়েছে ৯৭ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার টাকা।
সাপাহার উপজেলায় মোট বিদ্যুৎ প্রাপ্ত গ্রাহকের সংখ্যা ২৭ হাজার ২৬ জন, বিতরণ লাইনের পরিমাণ ৪৬২ দশমিক ৯৪ কিলোমিটার, সুবিধাভোগী জনগণের পরিমান ১ লাখ ৮ হাজার ১০৪ জন এবং এতে মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৭৪ কোটি ৭ রাখ ৪ হাজার টাকা।
পোরশা উপজেলায় মোট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে ৩৫ হাজার ১৪ জন গ্রাহকের মধ্যে। বিতরন লাইনের পরিমাণ ৬৯৯ দশমিক ৩২ কিলোমিটার, সুবিধাভোগী জনগনের পরিমান ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬ জন এবং এতে মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ১১১ কোটি ৮৯ সলাখ ১২ হাজার টাকা।
এবং মহাদেবপুর উপজেলায় মোট গ্রাহক সংখ্যা ৫৬ হাজার ৮১১ জন, বিতরণ লাইনের পরিমাণ ১১৪৩ দশমিক ৯১ কিলোমিটার, সুবিধাভোগী জনগনের পরিমাণ ২ লাখ ২৭ হাজার ২৪৪ জন এবং এতে মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ১৮৩ কোটি ২ লোখ ৫৬ হাজার টাকা।
বাসস/সংবাদদাতা/মরপা/২০৫০/-মরপা