বাসস প্রধানমন্ত্রী-৩ : মাদকাসক্তি, জঙ্গিবাদ ও অসামাজিক কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখতে খেলাধুলা চর্চার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : শেখ হাসিনা

332

বাসস প্রধানমন্ত্রী-৩
প্রধানমন্ত্রী-বাণী
মাদকাসক্তি, জঙ্গিবাদ ও অসামাজিক কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখতে খেলাধুলা চর্চার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : শেখ হাসিনা
ঢাকা, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার চর্চা করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘লেখাপড়ার পাশাপাশি কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে, সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সহিষ্ণুতা অর্জনে, মাদকাসক্তি ও জঙ্গিবাদসহ সকল অসামাজিক কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখতে খেলাধুলা চর্চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’
শেখ হাসিনা ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনূর্ধ্ব ১৭) ২০১৮’ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন। আগামীকাল রোববার থেকে
‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনূর্ধ্ব ১৭) ২০১৮’ আয়োজন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। জাতির পিতা স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ক্রীড়া অঙ্গনের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। বর্তমান সরকারও খেলাধুলার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন,তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার বিভিন্ন ক্রীড়া অবকাঠামো তৈরি করে দিচ্ছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। খেলোয়াড়দের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রসারে আর্থিক অনুদানও বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি বলেন,‘আমরা শিক্ষা ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানে খেলাধুলার সরঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছি’।
ক্রীড়া ক্ষেত্রে বড় বড় অর্জনগুলো এসেছে এ সরকারের আমলেই একথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,এরই ধারাবাহিকতায় ফুটবলকে আরও এগিয়ে নিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (অনূর্ধ্ব ১৭) আয়োজন সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
তিনি বলেন, এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্রতিভাবান ফুটবলার বের হয়ে আসবে। দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ করে দিলে এই কিশোররা একদিন ফিরিয়ে আনতে পারবে ফুটবলের সোনালী অতীত। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে বিশ্বের কাছে, ঠিক যেমনটি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
শেখ হাসিনা আশা করেন, এ ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগীদের আত্মপ্রত্যয়ী করে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে।
তিনি‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনূর্ধ্ব ১৭) ২০১৮’র সাফল্য কামনা করেন।
বাসস/তবি/জেডআরএম/১৯৫৫/কেএমকে