বাসস দেশ-১৭ : মহাডিগবাজ বি. চৌধুরী-ড. কামালরা দন্ডিত দুর্নীতিবাজ খালেদা জিয়া ও তারেকের পক্ষে মাঠে নেমেছেন : ইনু

228

বাসস দেশ-১৭
তথ্যমন্ত্রী-গণসংযোগ
মহাডিগবাজ বি. চৌধুরী-ড. কামালরা দন্ডিত দুর্নীতিবাজ খালেদা জিয়া ও তারেকের পক্ষে মাঠে নেমেছেন : ইনু
ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০১৮ (বাসস) : তথ্যমন্ত্রী ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু জাতীয় ঐক্যের উত্থাপিত নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং খালেদা জিয়াসহ সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তির দাবির সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ দশ বছর ধরে নির্দলীয় সরকারের কোনো নির্দিষ্ট কাঠামো না দিয়ে নির্বাচনের দু’দিন আগে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছাড়া নির্দলীয় সরকারের দাবি তোলা আসলে হাওয়ায় ভাসানো কথা বা আকাশের ঠিকানায় লেখা চিঠির মতো। যা জনগণ বা সরকার কারো কাছেই পৌঁছাবে না।’
‘নীতি-নৈতিকতার মুখোশ খুলে ফেলে বি.চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন রাজনীতিতে এবার মহাডিগবাজী দিলেন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দন্ডিত রেজিস্টার্ড দুর্নীতিবাজ বেগম খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেকের পক্ষে তারা মাঠে নেমেছেন।’
হাসানুল হক ইনু আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর ডেমরায় আমুলিয়া মডেল টাউন ময়দানে ঢাকা-৫ আসনে জাসদের নির্বাচনী সমাবেশ ও গণমিছিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
এ সমাবেশে তথ্যমন্ত্রী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসনে ১৪ দলের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা মহানগর (পূর্ব) জাসদের সভাপতি শহীদুল ইসলামের নাম প্রস্তাব করেন ।
হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘বি. চৌধুরী-ড.কামালরা বিএনপির সাথে মিলে এক মঞ্চে আন্দোলন করার নামে নির্বাচন বানচাল এবং দন্ডিত খালেদা-তারেককে রাজনীতিতে পুনর্বাসন করার পাঁয়তারা করছে।’ এটি বাংলাদেশকে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মতো রক্তাক্ত পথে নিয়ে যাবার চক্রান্ত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তথ্যমন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালের পর দেশকে যদি শান্তি, উন্নয়ন, সুশাসনের ধারায় রাখতে হয়, তাহলে আসন্ন জাতীয় নির্বচনে ‘জঙ্গি-রাজাকারের’ সরকার আসতে দেয়া যাবেনা।
তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত অপরাজনীতির যে ধারা গড়ে উঠেছিল তার অবসান ঘটাতে ২০১৮ সালের নির্বাচনেই রাজাকার-জঙ্গি ও তাদের লালনকারী খালেদা-বিএনপি-জামায়াতকে রাজনীতি থেকে চিরতরে বাদ দিতে হবে।’
জাসদ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি, কার্যকরী সভাপতি রবিউল আলম, আব্দুল হাই তালুকদার, নাদের চৌধুরী, নুরুল আখতার ও আফরোজা হক রীনা প্রমুখ বক্তৃতি করেন।
বাসস/সবি/জেডআরএম/১৯২০/কেএমকে