বাসস ক্রীড়া-১১ : পাকিস্তানের ক্রিকেটের জন্য সর্তকবার্তা শোনালেন সামি

24

বাসস ক্রীড়া-১১
ক্রিকেট-সামি আসলাম
পাকিস্তানের ক্রিকেটের জন্য সর্তকবার্তা শোনালেন সামি
যুক্তরাষ্ট্র, ৯ মে ২০২১ (বাসস) : পাকিস্তানের একশর বেশি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার যুক্তরাষ্ট্রে ঘাটি বাঁধার পরিকল্পনা করছেন, বলে জানালেন দেশটির সাবেক খেলোয়াড় সামি আসলাম। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এক সময় পাকিস্তানের হয়ে ১৩ টেস্ট ও ৪ ওয়ানডে খেলা আসলাম।
গত বছর পাকিস্তানের ক্রিকেট ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান সামি। বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফর্ম করে যুক্তরাষ্ট্রে হয়ে খেলার জন্য নিজের ইচ্ছাকে জানান দেন তিনি।
কারন বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটারদের নিয়ে ভবিষ্যতে শক্তিশালী একটি জাতীয় দল গড়ার লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের। শ্রীলংকা-পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অনেক ক্রিকেটারই যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ভবিষ্যতে খেলতে সেখানে অবস্থান করছেন। একইভাবে নিজ দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান সামি।
ইতোমধ্যে পাকিস্তানের একশর বেশি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার সামির সাথে যোগাযোগ করেছেন বলে দাবী সামির। তাদের ইচ্ছা, যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলতে সেখানে যেতে চান। এমনটাই জানিয়েছেন সামি।
পাকিস্তানের একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সামি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না থাকা অনেক ক্রিকেটার যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাাতে চান। একশর বেশি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারের ফোন পেয়েছি আমি, তারা সবাই এখানে আসতে ইচ্ছুক। এমনকি পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করা ক্রিকেটাররাও এখানে আসতে চায়। বেশ কিছু খেলোয়াড় চুক্তি স্বাক্ষর করার কাছাকাছিও আছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটারদের নিয়ে ভবিষ্যতে দুর্দান্ত একটি দল গড়তে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের বড়-বড় দলগুলোর সাথে সমান-তালে পাল্লা দিতে চায় তারা।’
নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে গিয়ে ভালো আছেন বলেন জানালেন ২৫ বছর বয়সী সামি। তিনি বলেন, ‘আমি এখানে বেশ ভালো আছি। পাকিস্তানের ক্রিকেটে দুই বছর হতাশায় ডুবে থাকার পর এখানে খুবই ভালো আছি। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলার অনুমতি পেতে তিন বছর লাগবে আমার। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে আমি খেলার জন্য বিবেচিত হব।’
পাকিস্তানের ক্রিকেটে দল নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভও ঝাড়লেন সামি, ‘গত ৫-৬ বছরে ঘরোয়া ক্রিকেটের সব সংস্করণে পারফর্ম করার পরও নির্বাচকদের মন গলাতে পারেনি। সুযোগ পেলেও, দুই-এক ম্যাচ খেলিয়ে বাদ দিতো। কেউ-কেউ ১০ ম্যাচে ব্যর্থ হলেও সুযোগ পায়, অনেকেই দুই ম্যাচ খারাপ করেই বাদ পড়ে।’
বাসস/এএমটি/১৯২০/স্বব