পীরগঞ্জের ১৩ সহস্রাধিক কৃষক পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কার্যক্রমে উপকৃত

238

রংপুর, ৯ মে, ২০২১ (বাসস) : ২০২০-২০২১ অর্থবছরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ১৩ হাজার ৪শ’৩০জন কৃষক বিনামূল্যে সার ও বীজ পেয়ে উপকৃত হয়েছে। কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কার্যক্রমে ওই সংখ্যক কৃষককে সার ও বীজ দেয়া হয়।
পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাদেকুজ্জামান সরকার বাসসকে জানান, কৃষি বান্ধব সরকারের প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের বরাদ্দ বীজ ও সার উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ১৩ হাজার ৪শ’৩০জন কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়। এর মধ্য প্রণোদনা কার্যক্রমে ৮ হাজার ১শ’১০জন কৃষককে বোরো হাইব্রিড ধান, চিনা বাদাম, পেঁয়াজ, সূর্যমূখী, ভুট্টা, আউশের বীজ ও চিনা বাদাম, পেঁয়াজ, ভুট্টা চাষিদের বীজের পাশাপাশি সার দেয়া হয়েছে। এছাড়াও পুনর্বাসন কার্যক্রমে ৫হাজার ৩শ’৬০ জন কৃষককে গম, সরিষা, মসুর, টমেটো, মরিচ, খেসারি বীজ ও সরিষা, টমোটো, মরিচ চাষিদের বীজের পাশাপাশি সার দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ অনুযায়ী প্রণোদনা কার্যক্রমে ৫ হাজার ৮শ’ কৃষককে বিঘা প্রতি ২কেজি করে হাইব্রিড ধান, ২০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ৭কেজি করে চিনা বাদাম ও সার, ৬০ জন কৃষককে বিঘা প্রতি ২৫০ গ্রাম করে পেঁয়াজের বীজ ও সার, ১শ’৯০জন কৃষককে বিঘা প্রতি কেজি করে সুর্যমুখী, ৮শ’কৃষককে বিঘা প্রতি ২ কেজি করে ভুট্টার বীজ ও সার, ১ হাজার ২শ’কৃষককে কেজি করে আউশ ধানের বীজ ও সার দেয়া হয়েছে।
পুনর্বাসন কার্যক্রমে ১ হাজার ৩০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ১৫ কেজি করে গম, ১ হাজার ৩০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ১কেজি করে সরিষা বীজ ও সার, ৬শ’২০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ৮কেজি মসুর ডাল, ১ হাজার ৩০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ৫০গ্রাম করে টমেটো বীজ ও সার, ১ হাজার ৫০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ৩০০ গ্রাম মরিচের বীজ ও সার, ৬শ’কৃষককে বিঘা প্রতি ৬কেজি করে খেসারি ডাল বীজ দেয়া হয়েছে।
বড়দরগাহ ইউনিয়নের জীবানন্দপুর ও হাজীপুর গ্রামের কৃষক নয়ন চন্দ্র বর্মন, মধু চন্দ্র বর্মন, আব্দুল কাফি মিয়া, জামাল উদ্দিন বাসসকে জানান, বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়ে আমরা উপকৃত। পাশাপাশি নিয়মিত কৃষি অফিসের মাঠ কর্মীরা ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন।
পেঁয়াজ চাষি মিঠিপুর ইউনিয়নের একবারপুর পুর্বপাড়ার মুসা মিয়া ও মিঠিপুরের আব্দুর রউফ, রামনাথপুর ইউনিয়নের বড় করিমপুরের আব্দুস সালাম বাসসকে জানান, কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে পেঁয়াজের বীজ পেয়ে লাভবান হয়েছি।
শানেরহাট ইউনিয়নের ধল্লাকান্দির আতিকুর রহমান, পালানুসাহাপুরের আলতাব, দামোদরপুরের রহিমা বেগম, রায়পুর ইউনিয়নের কাঞ্চনগাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলাম ও ফারুক মিয়া, মদনখালি ইউনিয়নের জাফরপাড়া গ্রামের রুহুল আমিন ও মন্টু মিয়া বাসসকে জানান, নিজেরা সর্বনি¤œ ২৫শতক থেকে সর্বোচ্চ ১ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফসল চাষ করেছি। স্বল্প সময়ে এ ফসল গড়ে উঠেছে, মুনাফার সম্ভাবনা দেখছি আমরা।