মৎস্য সম্পদের শত্রুরা দেশ ও জাতির দুশমন : রেজাউল

157

ঢাকা, ৫ এপ্রিল, ২০২১ (বাসস) : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, দেশের মূল্যবান সম্পদ ইলিশ মাছের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এই সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের। অথচ অবৈধভাবে জাটকা আহরণের নেপথ্যে কিছু মানুষ কাজ করছে। অবৈধ মৎস্য আহরণে যে ট্রলারগুলো পাওয়া যায় সেগুলো সাধারণ মৎস্যজীবীদের নয়, কিছু অসাধু ধনী ব্যক্তিদের। তারা দেশ ও সমাজের শত্রু।
মন্ত্রী আরো বলেন, জাতীয় মাছ ইলিশ যাতে বৃদ্ধি করা না যায়, সেজন্য তারা কাজ করে। অনেক সময় বিষাক্ত দ্রব্য নির্গমন ও অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য মা ইলিশ নির্বিঘেœ ডিম ছাড়তে পারে না। এভাবে নানা রকম ক্ষতিকর ভূমিকায় বিভিন্ন সেক্টরের অসাধু ব্যক্তিরা জড়িত রয়েছে।
শ ম রেজাউল আজ রাজধানীর নিজ সরকারী বাসভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
মৎস্য সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজ।
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষনা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ সহ জাটকা সংশ্লিষ্ট ৬টি জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
জাটকা সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম বলেন, ইলিশের প্রজনন নির্বিঘœ করতে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মনিটরিং ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, দেশের মৎস্য সম্পদের যারা শত্রু, তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তাদের ব্যাপারে কোন ধরনের তদবীর শোনা হবে না। এ ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করা হবে।
অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচালিত অভিযানে অত্যাধুনিক জলযান সংযোজনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
পরে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১’র আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করেন তিনি।