চট্টগ্রামে ১৮৮ জনের করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত

165

চট্টগ্রাম, ২৮ নভেম্বর, ২০২০ (বাসস) : চট্টগ্রামে নতুন করে ১৮৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ১৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। তবে, করোনাক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদনে দেখা যায়, শুক্রবার নগরীর ছয়টি ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১ হাজার ২৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন শনাক্ত ১৮৮ জনের মধ্যে শহরের বাসিন্দা ১৬০ জন এবং সাত উপজেলার ২৮ জন। জেলায় মোট সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ২৪ হাজার ৭৭৬ জন। এর মধ্যে শহরের ১৮ হাজার ৬২০ জন এবং গ্রামের ৬ হাজার ১৭২ জন। উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে হাটহাজারিতে ৯ জন, রাঙ্গুনিয়ায় ৬ জন, রাউজানে ৫ জন, ফটিকছড়িতে ৪ জন, সন্দ্বীপে ২ জন এবং বাঁশখালী ও বোয়ালখালীতে ১ জন করে রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনাক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। ফলে মৃতের সংখ্যা ৩১৮ জনই রয়েছে। এদের মধ্যে শহরের ২২৩ জন ও গ্রামের ৯৫ জন। সুস্থতার ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪১৪ জন। মোট আরোগ্য লাভকারীর সংখ্যা এখন ২১ হাজার ৪৯৭ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ৩ হাজার ৪৮৯ জন এবং হোম আইসোলেশেনে থাকেন মোট ১৮ হাজার ৮ জন। হোম আইসোলেশনে নতুন যুক্ত হন ৩০ জন ও ছাড়পত্র নেন ২৫ জন। বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ১ হাজার ২৬১ জন।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, শুক্রবার সবচেয়ে বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশনাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে। এখানে ৬৪৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৯ জন ভাইরাসবাহক পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৩৬৪ টি নমুনার ৫২ টিতে ভাইরাস পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১১৫ জনের মধ্যে ৪৪ জন করোনাক্রান্ত হিসেবে চিহ্নিত হন।
নগরীর বেসরকারি তিন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির মধ্যে ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৮৪ নমুনায় ২৭ জন, শেভরনে ৪০ নমুনা পরীক্ষা করে ২০ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৩০ নমুনায় ১০ জন করোনাক্রান্ত পাওয়া যায়।
এদিন চট্টগ্রামের ১২ জনের নমুনা কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় সবক’টিরই নেগেটিভ রেজাল্ট আসে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও নগরীর একমাত্র বিশেষায়িত কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্র আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএলে এদিন কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট পর্যবেক্ষণে বিআইটিআইডি’তে ২ দশমিক ৯৩, সিভাসু’তে ১৪ দশমিক ২৮, চবি’তে ৩৮ দশমিক ২৬, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৩২ দশমিক ১৪ শতাংশ, শেভরনে ৫০ শতাংশ এবং আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়।