বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচে স্মরণীয় জয় ইংল্যান্ডের

379

বার্মিংহাম, ৪ আগস্ট ২০১৮ (বাসস) : বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে নিজেদের হাজারতম টেস্টে জিতলো ইংল্যান্ড। বার্মিংহামে সিরিজের প্রথম টেস্টে সফরকারী ভারতকে ৩১ রানে হারালো স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংলিশরা। হাজারতম টেস্টে ৩৫৮তম জয় পেলো ইংল্যান্ডের।
সিরিজের প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য ১৯৪ রানের টার্গেট পায় ভারত। সেই লক্ষ্যে তৃতীয় দিন শেষে ৫ উইকেটে ১১০ রান করে টিম ইন্ডিয়া। চতুর্থ সকালে দিনের ষষ্ঠ বলেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান উইকেটরক্ষক দিনেশ কার্তিক। ১৮ রান নিয়ে শুরু করে ২০ রানে থেমে যান তিনি। কার্তিককে শিকার করেন ইংল্যান্ডের পেসার জেমস এন্ডারসন।
এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও হার্ডিক পান্ডিয়া। ধীরেলয়েই এগোচ্ছিলেন তারা। তাই ভারতের রানও বাড়ছিলো। কিন্তু দলীয় ১৪১ রানে পতন ঘটে কোহলির। ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের ইন-সুইংগারে লেগ বিফোর ফাঁদে পড়েন ৪৩ রান নিয়ে শুরু করা কোহলি। শেষ পর্যন্ত ৫১ রানে থেমে যান প্রথম ইনিংসে ১৪৯ রান করা ভারত দলপতি।
ইনিংসের ৪৭তম ওভারের তৃতীয় বলে কোহলিকে তুলে নেয়ার পর শেষ ডেলিভারিতে টেল-এন্ডার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ সামিকে শিকার করেন স্টোকস। শূন্য হাতে ফিরতে হয় সামিকে।
সামি ব্যর্থ হলেও দশ নম্বর ব্যাটসম্যান ইশান্ত শর্মা রানের খাতা খুলতে পারেন এবং ২টি চারে ১৯ বলে ১১ রান করেন তিনি। নবম উইকেটে পান্ডিয়াকে নিয়ে দলকে ১৩ রান এনে দেন শর্মা।
১৫৪ রানে শর্মার বিদায়ে ভারতে হার নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষ উইকেটে লড়াই করার চেষ্টা করেও হার এড়াতে পারেননি পান্ডিয়া ও শেষ ব্যাটসম্যান উমেশ যাদব। ৫৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দেন পান্ডিয়া। তার আউটে ১৬২ রানেই গুটিয়ে যায় ভারত। ৪টি চারে ৮৬ বলে ৩১ রান করেন পান্ডিয়া। শূন্য রানে অপরাজিত ছিলেন উমেশ। ম্যাচ সেরা হন ইংল্যান্ডের স্যাম কারান। দুই ইনিংসে ব্যাট হাতে ২৪ ও ৬৩ রান করেন তিনি। বল হাতে ৪ ও ১ উইকেট নেন টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামা কারান।
আগামী ৯ আগস্ট শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
ইংল্যান্ড : ২৮৭ ও ১৮০, ৫২ ওভার (কারান ৬৩, বেয়ারস্টো ২৮, ইশান্ত ৫/৫১)।
ভারত : ২৭৪ ও ১৬২, ৫৪.২ ওভার (কোহলি ৫১, পান্ডিয়া ৩১, স্টোকস ৪/৪০)।
ফল : ইংল্যান্ড ৩১ রানে জয়ী।
সিরিজ : পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড।
ম্যাচ সেরা : সাম কারান (ইংল্যান্ড)।