প্রকল্পে দুর্নীতি হলে প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা : তাজুল

225

ঢাকা, ২৬ জুলাই, ২০২০ (বাসস) : কোন উন্নয়ন প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হলে ওই প্রকল্পের প্রকৌশলী ও ঠিকাদার সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
তিনি আজ মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা ও সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে ২০২০-’২১ অর্থ বছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান।
প্রকল্পের কাজের মানের প্রসঙ্গ তুলে তাজুল ইসলাম বলেন, দেশের উন্নয়নে নেয়া যে কোন প্রকল্পের কাজ যদি নিম্মমানের হয়, অনিয়ম ও দুর্নীতি হয় এবং তা মানুষের ক্ষতির কারণ হয়, তাহলে সেই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত প্রকৌশলী ও ঠিকাদার থেকে শুরু করে যারাই যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তবে গুণগত মানসম্পন্ন কাজ করতে গিয়ে কেউ কোন ধরণের বাধার সম্মুখীন হলে বা কোন প্রভাবশালী কাজ ব্যাহত করলে তা মোকাবেলার দায়িত্ব তাঁর মন্ত্রণালয় নেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ এ ধরনের কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে তিনি অবশ্যই তার (মন্ত্রী) সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
নির্দিষ্ট সময়-সীমার মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার প্রতি গুরুত্বারোপ করে তাজুল ইসলাম আরো বলেন, কোন সময় কোন কাজ করা হবে, কখন ও কিভাবে করা হবে তার একটি নির্দিষ্ট টাইম লাইন বা ওয়ার্ক প্লান করতে হবে। তাহলে যে কোন প্রজেক্টের কাজ নির্ধারিত সময়-সীমার মধ্যে কাজ শেষ করা সহজ হবে।
এই টাইম ফ্রেম শুধু করার জন্য করলে হবে না, তা নিয়ে নিয়মিতভাবে পর্যালোচনার প্রতি গুরুত্বারোপ করে তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে যে কোন প্রকল্প গ্রহণ করলে তা ৮-১০ বছরের মধ্যেও শেষ হয় না।
যে কোন প্রকল্পের পেপার ওয়ার্ক করতে ৬ মাস সময় লাগে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, প্রকল্পের প্লানিং করতেই যদি বছরের পর বছর সময় পার হয়ে যায় তাহলে দেশের মানুষের পক্ষে সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বত কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের দু’প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকতা ও ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যোগদান করেন।