বাজিস-৪ : মেহেরপুরে আউশ ধানচাষ বেড়েছে

90

বাজিস-৪
মেহেরপুর-আউশ চাষ
মেহেরপুরে আউশ ধানচাষ বেড়েছে
মেহেরপুর, ২৫ জুলাই, ২০২০ (বাসস): চলতি মৌসুমে সরকারি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণ জমিতে আবাদ হয়েছে আউশ ধানের। চলতি মৌসুমে আউশ উৎপাদনে রেকর্ডের সম্ভাবনা দেখছে কৃষি বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নভেল করোনা ভাইরাসের কারণে কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে দুই মেয়াদে প্রণোদনা দেয়া, বীজ সরবরাহ ছাড়াও অন্যান্য উপকরণ সুবিধা দেয়ার কারণে মূলত মেহেরপুর জেলায় এবার আউশের আবাদি জমির পরিমাণ বেড়েছে। কৃষি বিভাগ বলছে, অধিক উৎপাদনের কারণে যদি ধানের দাম কমেও যায় ফলন বেশি হওয়ায় লাভবান হবেন চাষিরা। গতবছরের চেয়ে এবার এক হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ বেড়েছে। চাষিরা জানান, এক বিঘা জমিতে আউশ ধান চাষে শ্রমিক মজুরি বাদেই খরচ ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। বিঘা প্রতি উৎপাদন ১৮ থেকে২০ মণ।
স্থানীয় কৃষি কৃষি বিভাগ জানায়, বৈশ্বিক মহামারী করোনার প্রভাবে সম্ভাব্য খাদ্য সংকট মোকাবেলা করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি ইঞ্চি জমিতে ফসল ফলাতে নিরলসভাবে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে করোনার মাঝেও লক্ষ্যমাত্রার অধিক বোরো চাষ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আউশ ধানবীজ, আমন ধানবীজ, পাটবীজ, সার, সেচসহ বিভিন্ন প্রণোদনা কৃষকের মাঝে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা করোনার দুর্যোগের মাঝেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কৃষকের পাশে থেকে আউশ আবাদে উদ্বুদ্ধ করেছেন, সহায়তা করেছেন। পাশাপাশি মেহেরপুর উঁচু হওয়ার কারণে সহজে বন্যা কৃষকের ক্ষতি করতে পারেনা।
গাংনী উপজেলার মদনাঙ্গা গ্রামের আউশধান চাষী হামিদুল হক জানান, অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। এবার বৃষ্টির কারণে তেমন সেচ দিতে হচ্ছেনা। ফলে উৎপাদন খরচ অনেক কমে গেছে। তিনি আশা করছেন এবার আউশচাষে লাভবান হবেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামরুল হক মিয়া জানান, এবার মেহেরপুর জেলাতে গতবছরের চেয়ে প্রায় এক হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ বেড়ে ২১ হাজার ২শ হেক্টর জমিতে আউশধান চাষ হচ্ছে। ৬ হাজার কৃষককে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে।
বাসস/সংবাদদাতা/১২২৭/নূসী