সিলেট করোনায় মৃত্যুর হার কমেছে, নতুন আক্রান্ত ৯৫ জন

311

সিলেট, ২০ জুন, ২০২০ (বাসস) : সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন আরও ৯৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তবে সেখানে করোনায় আক্রান্তদের মৃত্যুর হার কমেছে। এরআগে ১৪ জুন একদিনে ৬ জনের প্রাণহানির পর গত এক সপ্তাহে মাত্র দুইজনের মৃত্যু হয়েছে ।
সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় কারো মৃত্যু হয়নি। সিলেটে এ পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ৪৪, সুনামগঞ্জে ৪, হবিগঞ্জে ৪ ও মৌলভীবাজারে ৪ জন।
শুক্রবার সিলেট বিভাগে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৯৫ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৪৮, সুনামগঞ্জে ২৮, হবিগঞ্জে ১১ ও মৌলভীবাজারে ৮ জন।
সিলেট বিভাগে করোনামুক্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২০ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৬ ও সুনামগঞ্জে ১৪ জন। আর এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬৫৮। এর মধ্যে সিলেটে ২৩৯, সুনামগঞ্জে ১৭৫, হবিগঞ্জে ১৫৮ ও মৌলভীবাজারে ৮৬ জন। রেড জোন ঘোষিত সিলেট বিভাগে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ হাজার ৯৮৬ জন।
সিলেট বিভাগে প্রতিদিনই গড়ে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন অর্ধশতাধিক মানুষ। এর মধ্যে একদিন ছিলো সর্বোচ্চ দুই শতাধিক এবং তার পরদিনই শনাক্ত হন আরও প্রায় দেড় শ’ জন। তবে প্রতিদিন অর্ধ শত’র উপরে আক্রান্ত হলেও গত এক সপ্তাহে কমেছে মৃত্যুর হার। যা সিলেটবাসীকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে।
বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ হাজার ৯৮৬ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১ হাজার ৬৮৮, সুনামগঞ্জে ৭৮৫, হবিগঞ্জে ২৭৬ ও মৌলভীবাজার জেলায় ২৩৭ জন।
সিলেট অঞ্চলে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আজ পর্যন্ত ভর্তি আছেন ১৯৯ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৬৪, সুনামগঞ্জে ৯৮, হবিগঞ্জে ৩৪ ও মৌলভীবাজারে ৩ জন।
বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, চলতি বছরের ১০ মার্চ হতে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে ১৪ হাজার ৬৪২ জনকে এবং কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ১৩ হাজার ২৯১ জনকে।
বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে অবস্থান করছেন ১ হাজার ৩৫১ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৫৪১, সুনামগঞ্জে ৪৭৬, হবিগঞ্জে ১৭ ও মৌলভীবাজারে ৩১৭ জন।
এ পর্যন্ত হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে আছেন বিভাগের ২৬৯ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৮০, সুনামগঞ্জে ৩৩, হবিগঞ্জে ১২৬ ও মৌলভীবাজারে ৩০ জন। তারা সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।