বাজেটে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রায় ৬৪২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

420

ঢাকা, ১১ জুন, ২০২০ (বাসস): আগামী অর্থবছরের (২০২০-২১) বাজেটে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৪১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এরমধ্যে পরিচালন (অনুন্নয়ন) খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩শ’ ২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩শ’ ১৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব পেশ করেন।
এ মন্ত্রণালয়ের ২০১৯-২০ সংশোধিত বাজেটের পরিমান নির্ধারন করা হয়েছে ৫শ’ ৮৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। একই অর্থবছরে এই মন্ত্রণালয়ের জন্য জাতীয় বাজেটে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছিল ৫শ’ ৯০ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।
বাজেটে বরাদ্দের প্রস্তাব পেশ করার আগে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার প্রবাসী বাংলাদেশীদের সামগ্রিক কল্যাণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে নতুন-নতুন শ্রম-বাজার সৃষ্টির জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, শ্রম-বাজারের চাহিদা অনুযায়ি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং বেকারত্ব হ্রাসে বিদেশে কর্মসংস্থান করে বৈদেশিক আয়ের প্রবাহ বাড়ানোর জন্যও সরকারি প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
নিরাপদ অভিবাসন প্রক্রিয়া ও প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, বৈধ রিক্রুটিং এজেন্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং নিরাপদ অভিবাসনের জন্য আইনী কাঠামোরও সংস্কার করা হয়েছে। এজন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (রিক্রুটিং এজেন্ট শ্রেণীবিন্যাস) বিধিমালা-২০২০ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে ২০১৯-২০ অর্থবছরের ১ (এক) মাস বাকী থাকতেই রেমিটেন্স এসেছে ১৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তিতে বিশেষ অবদান রাখছে।
বিশ্বের প্রধান-প্রধান শ্রম-বাজারে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এবং বিশ্ব ব্যাপি জ্বালানি তেলের দাম কমায় আগামী অর্থবছরে রেমিটেন্সের প্রবৃদ্ধি শ্লথ হতে পারে বলে উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল বলেন, এ খাতে আগামী অর্থবছরেও (২০২০-২১) দুই শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হবে।