বাসস দেশ-১৬ : একযোগে কাজ করলে করোনার বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

220

বাসস দেশ-১৬
এলজিইডি-করোনা
একযোগে কাজ করলে করোনার বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
ঢাকা, ৪ মে, ২০২০ (বাসস) : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নযন ও সমবায মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, সবাই একযোগে কাজ করলে করোনার বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
করোনা পরিস্থিতিতে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ও সর্তকতা অবলম্বন করে উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আজ তার মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে জুম ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলার এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন।
জাতির এ দুঃসময়ে এলজিইডি’র জেলা পর্যায়ে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলীরা কাজ করছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেভাবে এগুচ্ছিলাম কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে তাতে কিছুটা বাধার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সবাই একযোগে কাজ করলে এ বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।’
মন্ত্রী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ও এলজিইডি’র অন্যান্য কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে এ ভিডিও কনফারেন্সের উদ্যোগ নেন।
অনলাইনের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে ৬৪টি জেলা থেকে এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীরা তাদের কাজের অগ্রগতি মন্ত্রীকে অবহিত করেন এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে কি ধরনের সমস্যা মোকাবেলা করছেন তা তুলে ধরেন।
তারা জানান, রাস্তায় মাটি ভরাটসহ কিছু কাজ সামাজিক দূরত্ব মেনে করা সম্ভব হচ্ছে। তবে কার্পেটিং বা ঢালাইয়ের কাজ করতে কিছুটা অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া নিয়মিত যে সকল শ্রমিক কাজ করে তারা নিজ নিজ এলাকায় চলে যাওয়াতে দক্ষ কর্মীর অভাব হচ্ছে। পাথর আমদানিতে ও পরিবহনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। সিমেন্টসহ কিছু উপকরণের দাম বেড়ে গিয়েছে। তাছাড়া স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির ব্যাপারগুলোও আছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন লকডাউন বা ছুটি বাস্তবায়নে কঠোর হবার কারণে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে।
মন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, সরকার কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথিল হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করছে। কাজেই সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে কেটে যাবে। এরপরও যেসব জায়গায় আমাদের ভূমিকা রাখা দরকার সেটা আমরা করব। আপনারা এডিপি ও অন্যান্য কার্যক্রম যথাযথভাবে এবং গুণগত মান নিশ্চিত করে বাস্তবায়ন করুন। যেসব জেলায় কাজের অগ্রগতি কিছুটা ঘাটতি রয়েছে তারা একটু জোর দিয়ে কাজ করলে এ ঘাটতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
বেশিরভাগ জেলা ইতিমধ্যে এডিপি’র প্রায় শতকরা ৭৫ থেকে ৮০ ভাগ কাজ বাস্তবায়ন করেছে বলে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বাসস/সবি/এমএসএইচ/১৯২০/স্বব