বাজিস-২ : ভোলায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে

316

বাজিস-২
ভোলা-বিদ্যুৎ-উপকেন্দ্র-নির্মাণ
ভোলায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে
ভোলা, ১৭ জুলাই, ২০১৮ (বাসস) : জেলার উপজেলা সদর ও লালমোহনে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ এমভিএ ক্ষমতা সম্পন্ন ২টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। এ দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রমাগঞ্জ এলাকায় লালমোহন উপকেন্দ্র-২ কাজ ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। আগামী মাসে এটি চালু হওয়ার কথা রয়েছে। একইসাথে সদরের পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের সদুর চর গ্রামের ভোলা-উপকেন্দ্র-৪ এর কাজ ৪৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী নভেম্বরে এটির কাজ শেষ হবে। এছাড়া আরো ২টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপনের জন্য চরফ্যশন উপজেলার দুলার হাট ও দক্ষিণ আইচায় জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে এসব বিদ্যুৎ উপ-কেন্দ্র নির্মাণ হলে স্থানীয়ভাবেই বিদ্যুতের চাহিদা মিটানো সম্ভব হবে। ফলে পল্লী এলাকায় আবাসিক কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্প-কল-কারখানা গড়ে উঠবে বিদ্যুৎকে কেন্দ্র করে। মূলত সরকার চলতি বছরের মধ্যে প্রত্যেক ঘরে ঘরে শতভাগ বিদ্যুতায়নের যে উদোগ গ্রহণ করেছে, সেই কার্যক্রমকে আরো বেগবান করবে এসব উপকেন্দ্রে’র উৎপাদিত বিদ্যুৎ, এমনটাই মনে করছেন পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা।
ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো: কেফায়েত উল্লাহ বাসস’কে জানান, লালমোহন উপকেন্দ্র-২ হতে স্থানীয়দের মধ্যে ৬ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এছাড়া সদুর চরের ভোলা উপকেন্দ্র-৪ হতে ৮ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ বিতরণ করা হবে। মূলত স্থানীয়ভাবে বিদ্যুতের চাহিদার উপর নির্ভর করেই সরবরাহকৃত বিদ্যুতের পরিমান নির্ধারণ করা হয়েছে।
কেফায়েত উল্লাহ আরো জানান, রমাগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দারা বর্তমানে বিদ্যুৎ পাচ্ছে লালমোহন ও চরফ্যশন উপজেলা থেকে। দুই দিক থেকে বিদ্যুৎ পাওয়ার জন্য এ এলাকার মানুষের বিদ্যুতের লো ভোল্টেজ থাকে এবং চাহিদা অনুযায়ি বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘœ সৃষ্টি হয়। আগামী মাসে লালমোহন উপকেন্দ্র-২ চালু হলে রমাগঞ্জসহ আশপাশের এলাকা বিদ্যুতের সমস্যা থাকবেনা। তিনি বলেন, ভোলা-৪ উপকেন্দ্র নির্মাণ সম্পন্ন হলে বাংলাবাজার ও পরানগঞ্জ এলাকা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রয়োজন হবেনা। সরাসরি পশ্চিম ইলিশা হতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এতে করে লোড শেডিংসহ বিদ্যুতের ঘাটতি পূরন হবে। আগামী ১০ বছরে এসব এলাকায় বিদ্যুতের কোন ধরনের সমস্যা থাকবেনা বলেও জানান তিনি।
বাসস/এইচএএম/১০৫৫/নূসী