বাসস ক্রীড়া-৩ : আইপিএলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্টোকস

159

বাসস ক্রীড়া-৩
ক্রিকেট-স্টোকস
আইপিএলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্টোকস
লন্ডন, ২৭ মার্চ ২০২০ (বাসস) : প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের প্রভাবে থমকে গেছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন। স্থগিত হয়ে গেছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের বড় বড় ইভেন্ট। বিশ্ব ক্রিকেটে ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় ও আকর্ষনীয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-২০ লিগ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ(আইপিএল) শুরুর আগেই স্থগিত। আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে আইপিএলের ১৩তম আসর। এমনকি এ আসর এবার অনুষ্ঠিত হবে কিনা- তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকা সত্বেও টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুিত নিচ্ছেন ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। তার আশা দ্রুত করোনাভাইরাস সমস্যার সমাধান শেষে শুরু হবে আইপিএল।
আইপিএলের আসন্ন আসরে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলবেন স্টোকস। আইপিএলের ১৩তম আসরে ইংল্যান্ডের ১৩জন খেলোয়াড় অংশ নিবেন।
করোনাভাইরাসের কারনে পুরো ভারত জুড়ে ২১ দিনের লকডাউন চলছে। যা শেষ হবে আগামী ১৫ এপ্রিল। আইপিএলও স্থগিত রয়েছে ঐ তারিখ পর্যন্ত।
বুধবার বিসিবিকে স্টোকস বলেন, ‘এই মূর্হুতে আমার পরবর্তী প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট হতে চলেছে আইপিএল। এটি এখনো পরিবর্তন হয়নি, তাই আমাকে ভাবতে হবে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে আমি আইপিএল খেলবো।’
গেল সপ্তাহে, আগামী মে মাস পর্যন্ত নিজ দেশের কাউন্টি মৌসুম স্থগিত করেছে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। করোনাভাইরাসের কারনে শ্রীলংকা সফর স্থগিত হয় ইংল্যান্ডের।
আইপিএল কর্তৃপক্ষ এখনো তাদের টুর্নামেন্ট বাদ বা শুরুর কোন নির্দিষ্ট সময় জানাতে পারেনি। তাই টুর্নামেন্ট যদি শুরু হয়ে যায় এজন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখছেন স্টোকস।
তিনি বলেন, ‘আমি জানি সম্ভবত খেলা হবে না, তারপরও আমার চিন্তায় রাখতে হবে আমি খেলবো। আমি নিজেকে তৈরি করছি এবং শারীরিকভাবে নিজেকে এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে আমি ভালো করতে পারি। আমি তিন সপ্তাহ ছুটি নিতে পারি না। আশা করছি, ২০ এপ্রিলের মধ্য শরীর ঠিক হয়ে যাবে। টুর্নামেন্ট হতেও পারে না-ও হতে পারে। তবে যদি এটি না হয় তবে আমি পিছিয়ে পড়তে চাই না। আমাদের অনেক পরামর্শ দেয়া হবে এবং যদি যাবার সুযোগ থাকে তবে আমরা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।’
শ্রীলংকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ স্থগিত হয়ে যাওয়ায় ইংল্যান্ড ক্রিকেটাররা হতাশ বলেও জানান স্টোকস। তবে পরিস্থিতির কারনে এমন সিদ্বান্ত সঠিক ছিলো।
২৮ বছর বসয়ী স্টোকস বলেন, ‘ড্রেসিং রুমে আধা ঘন্টার জন্য নেমে এসেছিল হতাশা। এটি অদ্ভুত অনুভূতি ছিলো, কারন আমরা সেখানে ১০-১২ দিন ছিলাম। প্রথম টেস্টের জন্য আমরা তৈরি হচ্ছিলাম তখনই আমাদের দেশে ফিরতে হয়েছে।’
বাসস/অনু/এএমটি/০৯৩০/স্বব