বাসস দেশ-১৫ : একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী আগামীকাল

325

বাসস দেশ-১৫
গ্রন্থমেলা-সমাপনী
একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী আগামীকাল
ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ (বাসস) : অমর একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী দিন আগামীকাল শনিবার। মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করবেন একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী।
গ্রন্থমেলার প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০’-এর সদস্য-সচিব ড. জালাল আহমেদ।
বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক সালমা বাণী ও সাগুফতা শারমীন তানিয়াকে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে ২০১৯ সালে প্রকাশিত বিষয় ও গুণমানসম্মত সর্বাধিক সংখ্যক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার-২০২০, ২০১৯ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে শৈল্পিক ও গুণমান বিচারে সেরা গ্রন্থ বিভাগে তিনটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার ২০২০, ২০১৯ সালে প্রকাশিত শিশুতোষ গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণমান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য রোকনুুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার-২০২০ এবং ২০২০ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্য থেকে নান্দনিক অঙ্গসজ্জায় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার ২০২০ প্রদান করা হবে।
এদিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।রাত ৮ টায় গ্রন্থমেলার মূল মঞ্চে অমর একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করবেন আবৃত্তিশিল্পী রূপা চক্রবর্তী এবং হাসান আরিফ।সংগীত পরিবেশন করবেন শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা এবং খায়রুল আনাম শাকিল। সবশেষে রয়েছে লেজার শো।
আজ অমর একুশে গ্রন্থমেলার ২৭তম দিনে নতুন বই এসেছে ৩৪১টি।গ্রন্থমেলা চলে সকাল ১১ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত। মেলায় ছিল শিশুপ্রহর।
নির্ধারিত অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিকাল ৪ টায় অনুষ্ঠিত হয় আবুল কাসেম রচিত বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক উন্নয়নদর্শন : জাতীয়করণনীতি এবং প্রথম পঞ্চমবার্ষিক পরিকল্পনা শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান।প্রবন্ধ পাঠ করেন অসীম সাহা। আলোচনায় অংশ নেন কাজী রোজী, এম এম আকাশ এবং নাসিমা আনিস। সভাপতিত্ব করেন আতিউর রহমান।
আলোচকরা বলেন, নি¤œবৃত্ত ও মধ্যবৃত্তের সমাজ ব্যবস্থায় আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য আনয়নই ছিল বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক উন্নয়নদর্শনের মূলনীতি।বঙ্গবন্ধু গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন দেশে কৃষি ও শিল্পবিপ্লব ঘটিয়ে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা সম্ভব।এ কারণে তাঁর পঞ্চমবার্ষিক পরিকল্পনায় কৃষি ও শিল্প উন্নয়ন প্রাধান্য পেয়েছে। তথ্য-উপাত্ত সমৃদ্ধ, বিশ্লেষণধর্মী এ গ্রন্থ অনুসন্ধিৎসু পাঠকদের জন্য একটি অবশ্যপাঠ্য গ্রন্থ।
আজ লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন কামরুল হাসান, জাহীদ রেজা নূর, অদিতি ফাল্গুনী ও মাসুদ পথিক।
কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ করেন কবি রুবী রহমান,কামাল চৌধুরী, নূহ-উল-আলম লেনিন এবং হারিসুল হক।আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়।সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফরিদা পারভীন, সাইদুর রহমান বয়াতি, লীনা তাপসী খান, অদিতি মহসিন ও সেলিম চৌধুরী। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় (তবলা), গাজী আবদুল হাকিম (বাঁশি), দৌলতুর রহমান (কী-বোর্ড), এস.এম. রেজা বাবু (বাংলা ঢোল) ও শেখ জালালউদ্দিন (দোতারা)।
বাসস/সবি/এসএস/২১০০/-এইচএন