বাসস সংসদ-৪ : ২০২১ সালের জুনে পদ্মা সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হবে : সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী

154

বাসস সংসদ-৪
কাদের-পদ্মা সেতু
২০২১ সালের জুনে পদ্মা সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হবে : সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী
সংসদ ভবন, ২৮ জানুয়ারি ২০২০(বাসস) : সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০২১ সালের জুনে পদ্মা সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারের অগ্রাধিকার প্রাপ্ত মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতুর সার্বিক ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৭৬ শতাংশ। ইতোমধ্যে প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি প্যাকেজের মধ্যে মাওয়া সংয়োগ সড়ক, জাজিরা সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়া-২ এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মূল সেতু এবং নদীশাসন কাজের ভৌত অগ্রগতি যথাক্রমে ৮৫.৫০ শতাংশ এবং ৬৬ শতাংশ।
তিনি বলেন, এছাড়া সেতুর ৪১টি স্টিল ট্রাসের মধ্যে ২০টি ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে। বাকী ২১টি আগামী জুলাইয়ের মধ্যে স্থাপন করা হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা মহানগর ও তৎসংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসনে ও পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ৬টি মেট্রোরেল সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য সমায়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, এই সমায়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা ২০৩০ অনুসরণে সরকার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের আওতায় বাস্তবায়নের জন্য ২০১২ সালে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-২) এবং ২০১৮ সালে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১) শীর্ষক মেট্রোরেল প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ বিভিন্ন পর্যায়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর মধ্যে ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে উত্তরা ৩য় পর্ব থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ২০.১০ কিলোমিটার উড়াল মেট্রোরেল নির্মাণ কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এর অগ্রগতি ৪২.০২ শতাংশ। ২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন বর্ষের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রথম এই উড়াল মেট্রোরেলের সম্পূর্ণ অংশ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
মন্ত্রী জানান এসব প্রকল্প ছাড়াও বিভিন্ন রুটে উড়াল মেট্রোরেল স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের বাইরে বাংলাদেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্প ২০১৯ থেকে ২০২৬ মেয়াদে ৫২ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা প্রক্কলিত ব্যয়ে অনুমোদন করা হয়েছে।
বাসস/এমআর/১৮২৫/-অমি