ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে যুবকরা সাহায্য করতে পারে : হাছান

251

রাজশাহী, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ (বাসস) : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ২০২১ সাল নাগাদ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যুবকরা সরকারের সাহায্যকারী হাত হতে পারে।
মঙ্গলবার শিল্পকলা একাডেমিতে এক যুব সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুব প্রজন্মকে জ্ঞানভিত্তিক ও কারিগারীভাবে সমৃদ্ধ করে দেশকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সজিব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দিলে দেশ ও দেশের জনগণ অনেক উপকৃত হবে। যদিও এটি তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছে।
মন্ত্রী অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, গুজব প্রতিরোধে ফেসবুক, ইউটিউব ও টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর দায়িত্ব রয়েছে। তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ সময় বিদেশে থেকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে গুজব ছড়ানো হয়।’
তিনি বলেন, তিনি এ বিষয়ে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছেন। তারা জানিয়েছেন যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা গুজব ছড়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইন ও নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।
সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পাবলিসিটি অ্যান্ড পাবলিকেশন সাব-কমিটি ‘তরুণের ভাবনায় আওয়ামী লীগ’ শীর্ষক এই সম্মেলনের আয়োজন করে।
সম্মেলনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও যুব সংগঠনের ২৫০ জনের বেশি যুবক অংশ নেয়।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এইচএএম খায়রুজ্জামান লিটন, আইসিটি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুয়াইদ আহমেদ পলক, সাব কমিটির উপ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রোফেসর মেরিনা জাহান কবিতাও এতে বক্তব্য রাখেন।
এক প্রশ্নের জবাবে এইচটি ইমাম বলেন, বহু সুযোগসন্ধানী আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করেছে এবং তারা বিভিন্নভাবে দলের ক্ষতি করছে। সকল অনুপ্রবেশকারীদের বহিষ্কার করা হবে।
মেয়র লিটন রাজশাহী ও এর উপকণ্ঠে বড় ধরনের শিল্প স্থাপন করতে সরকার ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।
জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, যুবকদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের উন্নয়নের গতি বাড়াতে হবে। দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষার উপর জোর দিলে কোন যুবকই বেকার থাকবে না। বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রায় ১.৫ কোটি কর্মসংস্থান হবে।
তিনি বলেন, রাজশাহীতে ৩১.৬৩ একর জায়গাজুড়ে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক নির্মিত হচ্ছে। এই অঞ্চলে কারিগরী ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে নতুন করে ১৪ হাজারের বেশি যুবক ও যুবতীর কর্মসংস্থা হবে।