বাসস ক্রীড়া-১ : ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জয় করলেন মেসি

114

বাসস ক্রীড়া-১
ফুটবল-ফিফা
ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জয় করলেন মেসি
মিলান, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ (বাসস) : ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো ও ভার্জিল ফন ডিককে পিছনে ফেলে ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন বার্সেলোনার সুপারস্টার লিওনেল মেসি। মিলানের ঐতিহ্যবাহী লা স্কালা ওপেরা হাউজে সোমবার অনুষ্ঠিত জমকালো আয়োজনে অবশ্য উপস্থিত ছিলেন না পর্তুগীজ তারকা রোনাল্ডো।
গত মাসে সকলকে বিস্মিত করে উয়েফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতে নিয়েছিলেন লিভারপুলের ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডিক। মূলত চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুলকে শিরোপা জয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুবাদেই এই ডিফেন্ডারকে সেরা হিসেবে বেছে নিয়েছিল উয়েফা। সে কারনেই ফিফার বর্ষসেরা পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় তার নাম দেখে কেউই খুব একটা বিস্মিত হয়নি। এই তালিকায় জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড রোনাল্ডোর নামও ছিল। অনুষ্ঠানে যোগ না দিলেও মেসির সাথে ফিফার বর্ষসেরা একাদশে ঠিকই জায়গা করে নিয়েছেন সিআর সেভেন।
পারফরমেন্স বিচারে ৩২ বছর বয়সী মেসি ও ২৮ বছর বয়সী ফন ডিক উভয়ই এবার ব্যালন ডি’অর জয়ে নিজেদের একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলেন। আগামী ২ ডিসেম্বর ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।
পুরস্কার হাতে নিয়ে অনুভূতি জানাতে গিয়ে মেসি বলেছেন, ‘এই পুরস্কারের জন্য যারা আমাকে যোগ্য মনে করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এই ধরনের একটি পুরস্কার হাতে পাওয়া। আজকের রাতটা আমার জন্য সত্যিই বিশেষ একটি রাত।’
২০১৬ সালে নতুনভাবে ফিফার সেরা পুরস্কার চালু হবার পরে এটাই মেসির প্রথম অর্জন। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে এই পুরস্কার জয় করেছিলেন রোনাল্ডো। গত বছর এই দুজনকে পিছনে ফেলে এই পুরস্কার জয় করেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের ক্রোয়েশিয়ান তারকা লুকা মড্রিচ।
গত মৌসুমে ১২ গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন মেসি। যদিও সেমিফাইনালে লিভারপুলের কাছে পরাজিত হয়ে বার্সেলোনাকে বিদায় নিয়ে হয়েছিল। এছাড়া ৩৬ গোল করে ইউরোপীয়ান গোল্ডেন শ্যু এ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। বার্সেলোনার হয়ে লা লিগা শিরোপা জেতার পাশাপাশি ২০১৯ সালে কোপা আমেরিকায় ব্রোঞ্জ পদক লাভ করে মেসির আর্জেন্টিনা।
বর্ষসেরার কোন পুরস্কার জয়ের ক্ষেত্রে ডিফেন্ডার হিসেবে ফন ডিক অনেকটাই রেকর্ডই গড়েছিলেন। একমাত্র ডিফেন্ডার হিসেবে এর আগে ২০০৬ সালে বিশ্বসেরা খেলোয়াড় ও ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন শুধুমাত্র ইতালিয়ান ফাবিও ক্যানাভারো। তবে ডাচ এই ডিফেন্ডার সেরার পুরস্কার জিততে পারলে লিভারপুলের জন্য কালকের রাতটা হতে পারতো ট্রেবল জয়ের রাত। তাদের ম্যানেজার জার্গেন ক্লপ বর্ষসেরা কোচ ও সেরা গোলরক্ষক হিসেবে এ্যালিসন বেকার কাল পুরস্কার অর্জন করেছেন।
বাসস/নীহা/১৬২৫/মোজা/স্বব