মোংলাবন্দর কর্তৃপক্ষ আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত

718

ঢাকা, ১৯ অগাস্ট ২০১৯ (বাসস) : মোংলাবন্দর কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৯-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার এই নিয়মিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফংকালে মন্ত্রী পরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম বলেন, ‘এই বন্দরটি চালনা বন্দর হিসেবে শুরু হয় ১৯৭৬ সালে এবং পরে ১৯৮৭ সালে এর নাম পরিবর্তন করে মোংলা বন্দর করা হয়। ‘চালনা পোর্ট অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬’ দিয়ে এটি পরিচালিত হয়ে আসছিল। যেহেতু সামরিক আমলের অর্ডিন্যান্স দিয়ে চলছিল তাই এটি পরিবর্তনের জন্য হাইকোর্ট কর্তৃক একটি বাধ্যবাধকতা ছিল।
তিনি বলেন, আইনটিতে আগের আইন থেকে একটু পরিবর্তন আনা হয়েছে। অর্থাৎ আগের অর্ডিন্যান্সের অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন কিছু সংযোজন এবং বিয়োজন করে একে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
মন্ত্রি পরিষদ সচিব বলেন, প্রথমে সংজ্ঞার মধ্যে ‘অভ্যন্তরীণ নৌযান’ (ইনল্যান্ড ভেসেল) এই শব্দটির কোন সংজ্ঞা ছিল না, এটি সংযুক্ত করা হয়েছে। এখানে সংজ্ঞায় বলা হয়েছে- বাষ্প, তৈল, বিদ্যুৎ অথবা অন্য যান্ত্রিক পদ্ধতিতে অভ্যন্তরীণ জলপথে পরিবাহিত বা পরিচালিত যে যান তাকে অভ্যন্তরীণ নৌযান বলা হবে।
এছাড়া, ‘টার্মিনাল’ শব্দটি আগের আইনে ছিল না, এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। ‘কন্টেইনার ফ্রেইট স্টেশন’ এই আন্তর্জাতিক শব্দটিও এখানে যুক্ত করা হয়েছে। ফৌজদারী কার্যবিধি শব্দটিও এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। ‘বার্থ’ শব্দটিও নতুনভাবে যুক্ত করে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং ‘লীজ’ শব্দটিকে ভূমি আইন থেকে এখানে যুক্ত এবং সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
শফিউল আলম বলেন, আগের আইনের মতই এই বন্দর কর্তৃপক্ষ পরিচালনা এবং প্রশাসনের জন্য এটির একটি বোর্ড থাকবে। যেখানে একজন চেয়ারম্যান এবং ছয় জন সদস্য থাকবেন। অতীতে এখানে একজন চেয়ারম্যান একং ৩জন সদস্য ছিল, সেখানে এখন বোর্ড সদস্য ৭ জনে উন্নীত করা হয়েছে। যারমধ্যে একজন সরকার কতৃর্ক মননীত শিপিং এর সঙ্গে জড়িত বেসরকারি ব্যক্তি থাকবেন।
তিনি বলেন, এখানে কমিটি গঠন সম্পর্কে একটি নতুন ধারা, ৯ ধারা সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া নতুন সংযোজিত ১৩ ধারায় ‘সংরক্ষিত বন্দর এলাকা ঘোষণা’ (কর্তৃপক্ষ বিশেষ আদেশ ধারা এ ধরনের ঘোষণা দিকে পারবে) এবং ১৯ ধারাতে ‘অপারেটর নিয়োগ’ ধারাটি নতুন সংযোজন করা হয়েছে।
সচিব বলেন, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে দন্ড নিয়ে ৪১ ধারায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যেমন যদি কোন ব্যক্তি এই আইন ও বিধির কোন বিধান লঙ্ঘন করে তাহলে উত্ত লঙ্ঘন একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং সেজন্য তিনি অনূর্ধ্ব ৬ মাসের কারাদন্ড বা ২ লাখ টাকা অর্থ দন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন। অতীতে এখানে ৬ মাসের কারাদন্ড বা ৫০ হাজার টাকার অর্থদন্ডের বিধান ছিল। টুল পরিহারের জন্য (পেনাল্টি ফর ইভেডিং টুলস) অতীত শাস্তি ছিল ৬ মাসের দন্ড বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ডের যে বিধান ছিল সেটি ৬ মাসের কারাদন্ড বহাল রেখে অর্থদন্ডের পরিমাণ ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। দুষণের জন্য দন্ড’র ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনকে পরিবর্তন করে অনূর্ধ্ব এক বছরের কারাদন্ড অথবা ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
শফিউল আলম বলেন, কোন ব্যক্তির দেশিয় জাহাজ যদি বন্দর সীমানার মধ্যে পানিতে, সৈকতে বা তীরে অথবা ভূমিতে কোন বর্জ্য, তৈল বা তৈল জাতীয় পদার্থ বা ছাই বা অন্যকোন কিছু নিক্ষেপ করে অথবা নিক্ষেপ করিবার অনুমতি প্রদান করে যাহা দ্বারা পানি ও পরিবেশ দূষিত হয় এবং জলজ প্রাণি, উদ্ভিদ এবং প্রভৃতির ক্ষতি সাধিত হয় তাহা হইলে উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ এবং উক্ত কার্যের জন্য এক বছরের কারাদন্ড, অথবা ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইতে হইবে।
তিনি বলেন, অতীতে বিদ্যমান আইন এই অপরাধের জন্য কেবল ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান থাকলেও এখন জেল এবং জরিমানা উভয়ের বিধানই যুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, টুল,রেট ইত্যাদি ফাঁকির জন্য দন্ড- যদি কোন ব্যক্তি আইনগতভাবে বন্দরের প্রাপ্য কোন ভাড়া, ফি, টোল,রেট,মাসুল বা ক্ষতিপূরণ ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে সেজন্য একমাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং অনুর্ধ এক লাক টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারে। একইসঙ্গে ৪৫ ধারাতে একটি নতুন ধারা সংযুক্ত করা হয়েছে- কোম্পানি কর্তৃক অপরাধ সংঘটন।
সচিব বলেন, কোন কোম্পানি কর্তৃক এই আইনের অধীনে কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে সেই অপরাধের সহিত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে কোম্পনীর এরুপ প্রত্যেক পরিচালক, ম্যানেজার, সচিব এবং কর্মকর্তা-কর্মচারি উক্ত অপরাধ সংঘটন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে। ফৌজদারী এ ধরনের অপরাধগুলোর বিচার ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী হবে। অর্থাৎ ‘সিআরপিসি’ অনুযায়ী বিচার ও শান্তি প্রযোজ্য হবে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে এদিন ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন- ২০১৯’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এছাড়াও বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল ২০১৯ আইনের খসড়া, নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সম্পর্কিত সমন্বিত বিশেষ শিক্ষানীতিমালা, বাংলাদেশ পাওয়ার ইক্যুপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানী (বিপিইএমসি) লিমিটেড নামে জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী এবং ‘স্টার্ট আপ বাংলাদেশ’ নামে মোট দুটি কোম্পানী গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। একই সাথে এদিন জাতীয় স্কুল মিল নীতি ২০১৯ এর খসড়া অনুমোদনও দেয় মন্ত্রিসভা।
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১৯ সম্পর্কে মন্ত্রি পরিষদ সচিব বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অনেকগুলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। যেগুলো একই ফরমেটে করাই এই আইনের উদ্দেশ। যেমন চ্যান্সেলর থাকবেন রাষ্ট্রপতি, এছাড়া ভাইস চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চান্সেলর,ট্রেজারার থাকবেন। পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে সিন্ডিকেট, একাডেমিক কাউন্সিল- প্রভৃতি থাকবে।
সিন্ডিকেটের গঠন সম্পর্কে এখানে বলা আছে যে, ১৩ সদস্য বিশিষ্ট সিন্ডিকেট হবে। ভাইস চ্যান্সেলর, প্রো ভাইস চ্যান্সেলর, ট্রেজারার, ইউজিসি চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন প্রতিনিধি, সরকার কতৃর্ক মনোনীত যুগ্ম সচিব পদ মর্যাদার একজন প্রতিনিধি, সরকার কতৃর্ক মনোনীত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা পর্ষদ থেকে একজন প্রতিনিধি এবং চ্যান্সেলর কতুর্ক মননীত তিনজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, আর একাডেমিক কাউন্সিল মনোনীত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মধ্যথেকে তিনজন, সরকার কর্তৃক মনোনীত ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়োজিতদের মধ্য থেকে একজন প্রতিনিধি থাকবেন সিন্ডিকেটে।
উল্লেখ্য, সিন্ডিকেটের নির্বাচিত সদস্যরা দুই বছরের জন্য থাকবেন, প্রতি দুই মাসে কমপক্ষে একটা সভা অনুষ্ঠিত হতে হবে এবং এক তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত থাকলেই কোরাম হবে। আর বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন। বিশ্বদ্যিালয়ের অন্যান্য অনুষদ এবং প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের অন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেভাবে চলছে এটিও সেভাবেই চলবে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল ২০১৯ আইনের খসড়া অনুমোদন।
মন্ত্রি পরিষদ সচিব বলেন, গতবছর এটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপনে পর এটি বিচার বিশ্লেষণ এবং পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য একটি কমিটি করে দেওয়া হয় ৪জন প্রকৌশলী মন্ত্রীর নেতৃত্বে। তাঁরা হচ্ছেন- সাবেক স্থানীয় সরকার এবং গৃহায়ণ এবং গনপূর্তমন্ত্রী, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এবং বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী । সেই কমিটি যেহেতু এখন নেই তাই মন্ত্রিসভা আইনটি নীতিগতভাবে পর্যালোচনা করে অনুমোদন প্রদান করে।
তিনি বলেন,এটি ভেটিংয়ের পরে চুড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয় এবং এখানে যা প্রস্তাব করা হয়েছে তা গতানুগতিক। তবে,এরসাথে আমাদের স্যাটেলাইট সেক্টরের প্রতিনিধি এবং মেট্রোলজি ডিপার্টমেন্টের প্রতিনিধি যুক্ত করা হয়েছে।
নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সম্পর্কিত সমন্বিত বিশেষ শিক্ষানীতিমালা ২০১৯ এবং প্রতিবন্ধী ব্যতীত প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কিত বিশেষ শিক্ষানীতিমালা-২০১৯ এর খসড়া চুড়ান্ত অনুমোদন।
সচিব বলেন, শিক্ষানীতিমালা সহ অন্যান্য নীতিমালার সঙ্গে সমন্বয় রেখেই এই নীতিমালা দুটি প্রণীত হয়েছে। এটি মূলত প্রতিবন্ধি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন সংক্রান্ত নীতিমালা।
তিনি বলেন, এই আইনে প্রতিবন্ধীদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে একটি গাইড লাইন তৈরী করা হয়েছে। যত্রতত্র বিভিন্ন স্থানে মানহীন এবং অনুমোদিতভাবে বিশেষ বিদ্যালয় স্থপন ও পরিচালনা প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার একটি অনুশাসন জারি করে এসব বন্ধ করলেও অনেকেই মানছে না। যার প্রেক্ষিতে এই আইনটি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অন্যান্য দেশে যা হয় প্রতিবন্ধীরা যদি সাধারণ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে তাহলে তাদের অগ্রগতিটা ভালো হয়। তবে, একান্তই যাদের যতেœর প্রয়োজন তাদের জন্যই বিশেষ ব্যবস্থা।
বাংলাদেশ পাওয়ার ইক্যুপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানী (বিপিইএমসি) লিমিটেড নামে জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানী গঠনের প্রস্তাব।
মন্ত্রি পরিষদ সচিব বলেন, সরকারী মালিকানাধীন রুরাল পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড (আরপিসিএল) এবং চীনের বেসরকারী কোম্পনী সেনজেন স্টার ইনষ্ট্রুমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড যেথভাবে এই নতুন কোম্পানীর উদ্যোক্তা। এখানে আমাদের মালিকানা থাকবে ৫১ শতাংশের এবং চীনের কোম্পানীর মালিকানা থাকবে ৪৯ শতাংশের।
তিনি বলেন, এটি মূলত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি এবং প্রিপেইড মিটার উৎপাদন ও বাজারজাত করবে। এই কোম্পনীর পরিচালনা কমিটি ৫ সদস্যের হবে । যেখানে রুরাল কোম্পানীর তিন জন এবং শেনজেনের হবে দুই জন। কোম্পানীর সিইও হবে বাংলাদেশের। আর এরফলে এই মিটার দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানী করা সম্ভব হবে।
‘স্টার্ট আপ বাংলাদেশ’ নামে আরেকটি কোম্পানী গঠনের প্রস্তাব।
মন্ত্রি পরিষদ সচিব বলেন, এটি আইসিটি মন্ত্রণালয়ের এবং দেশে উদ্যোক্তা তৈরীর জন্য এই কোম্পানীর প্রস্তাব করা হয়েছে। এই কোম্পানীর অনুমোদিত মূলধনের পরিমান ৫শ’ কোটি টাকা এবং পেইড ক্যাপিটালের পরিমান হবে দুইশ’ কোটি টাকা। এরজন্য শেয়ার বাজারে ১০ টাকা মূল্যমানের শেয়ার ছাড়া হবে। আইসিটি সচিবকে চেয়ারম্যান করে এর ৭ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ হবে।
এছাড়া, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে (ডব্লিউইএফ) যোগদানের জন্য গত ১ থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর চিন সফর সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয় এবং সভার শুরুতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেজ ওসমান রচিত এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উৎসগৃকৃত ‘স্বপ্ন পানসী’ নামক একটি কাব্যগ্রহ্নের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
শফিউল আলম বলেন, এদিন বর্তমান মন্ত্রিসভার ১৩ তম বৈঠকটি প্রায় ৩ ঘন্টার ও অধিক সময় ধরে অনুষ্ঠিত হয়। যারমধ্যে ১৪টি বিষয় আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত ছিল।