ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক

560

টাঙ্গাইল, ১১ আগস্ট, ২০১৯ (বাসস) : টানা তিনদিনের ভোগান্তির পর অবশেষে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মহাসড়কের যানজট কবলিত বিভিন্ন অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। আবার কোন কোন স্থানে মহাসড়ক ফাঁকাও হয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, শনিবার দিবাগত রাত ১টা থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত পাঁচবার টোল আদায় বন্ধ রাখে সেতু কর্তৃপক্ষ। সেতুর উপরে বেশ কয়েকটি গাড়ি বিকল হওয়ায় গাড়িগুলো সরিয়ে নিতে একটু সময় লাগে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড়ে সিরাজগঞ্জের অংশে যানজটের কারণে গাড়ি টানতে না পারায় টোল আদায় বন্ধ রাখা হয়। আর এতেই এ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মাসুদ রায়হান জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ অংশে গাড়ি ঠিকমতো টানতে না পারায় টোল আদায় বেশ কয়েকবার বন্ধ থাকে। আর এতে করে মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে যানজট সৃষ্টি হয়।
পুলিশ সদস্যরা জানান, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত শুক্রবার মধ্যরাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের দু’টি স্থানে বিকল হয়ে পড়া, বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবং এলেঙ্গায় দুইলেনের সড়কের অবস্থা খারাপ হওয়ায় গাড়ির গতি কমে আসে। ফলে গাড়িগুলো ঠিক মতো টানতে পারছিল না। এছাড়াও, যানবাহনের বাড়তি চাপ এবং চালকদের প্রতিযোগিতা ও খেয়াল খুশিমতো গাড়ি চালানোর কারণে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার দিনভর থেমে থেকে গাড়ি চলাচল করেছে। পরদিন, শনিবার ভোর থেকে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজটের। মহাসড়কের ঘারিন্দা, কান্দিলা, রাবনা, শিবপুর, বিক্রমহাটি, রসুলপুর, পুংলি ও এলেঙ্গাসহ বিভিন্ন স্থানে এমন চিত্র দেখা গেছে।
তবে রোববার দিনের প্রথমভাগ পর্যন্ত যানজট অব্যহত থাকলেও ধীরে ধীরে তা কমে আসে। দুপুর নাগাদ অবস্থা প্রায় স্বাভাবিক হয়ে আসে। বিকাল ৪টা নাগাদ মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়। কোন স্থানে মহাসড়ক ফাঁকাও হয়ে যায়
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মাসুদ রায়হান বলেন, ‘রোববার বিকেল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। যানজট নিরসনে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন।’