বাসস দেশ-৪৬ : ধর্মীয় বৈচিত্র হচ্ছে রাষ্ট্রের শক্তি, দুর্বলতা নয় : ড.গওহর রিজভী

199

বাসস দেশ-৪৬
রিজভী-ধর্মনিরপেক্ষ
ধর্মীয় বৈচিত্র হচ্ছে রাষ্ট্রের শক্তি, দুর্বলতা নয় : ড.গওহর রিজভী
ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০১৯ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী বলেছেন, ধর্মীয় বৈচিত্র হচ্ছে রাষ্ট্রের শক্তি, কারণ এটি দেশের ধর্মনিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িকতা লালন করে।
তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখত হবে, আমরা একরূপ নই। আমরা একটি বহুমুখী সমাজে বসবাস করি। এখানে নানা ধর্ম রয়েছে। এটি কোন দুর্বলতা নয়, বরং এটি আমাদেরকে শক্তি যুগিয়েছে। সমাজে আমরা যদি সকলেই একই ধর্মের ও মতের লোক হতাম, তাহলে সমাজে আমাদের কোন আগ্রহ থাকত না। এটি হতো বিশ্বের মধ্যে একটি সবচেয়ে বিরক্তিকর সমাজ।
তিনি আজ রাজধানীর গুলশানে ইমান্যুয়েলস নিউ হলে ‘মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের দেশে অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধের প্রাসঙ্গিকতা’ শীষর্ক এক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন।
হাসুমনির পাঠশালা নামের একটি সামাজিক সংগঠন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মারুফা আখতার পপি।
অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক রানা দাসগুপ্ত, তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দিকি, সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচিত্র ও টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জুনাইদ হালিম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. খায়রুল চৌধুরী অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে ড. গওহর রিজভী বলেন, বাংলাদেশ একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, তার মানে এই নয় যে, কেউ ধর্ম করতে পারবে না। ধর্ম আমাদের ব্যক্তিগত বিষয়, রাষ্ট্র এখানে হস্তক্ষেপ করবে না। ধর্মীয় চর্চা রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করার বিষয় নয়।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেন, একটি ধর্মনিরপেক্ষ এবং অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন করতে দলমত নির্বিশেষে ৩০ লাখ লোক শহীদ হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নয়নের মহাসড়কে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। একটি মহল দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে ষড়যন্ত্র করছে।
অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিকী বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে একটি ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ গড়ে তুলব।
বাসস/জিএ/অমি/২০৩৩/কেএমকে