বাসস ক্রীড়া-১১ : বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের সাতকাহন

191

বাসস ক্রীড়া-১১
ক্রিকেট-বিশ্বকাপ-বাংলাদেশ-ভারত
বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের সাতকাহন
ঢাকা, ১ জুলাই, ২০১৯ (বাসস) : এবারে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলসে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ফর্মের তুঙ্গে থাকা দল পাঠিয়েছে ভারত। অপরদিকে বাংলাদেশও এমন একটি দলকে বিশ্বকাপে পাঠিয়েছে যারা প্রতিটি দলকেই ঘা দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে শীর্ষ পর্যায়ে তারা ধারাবাহিক।এদিকে রোববার ইংল্যান্ডের কাছে হেরে গেলেও আগামীকাল এজবাস্টনে কাগজে-কলমে ফেভারিট হিসেবেই বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামবে ভারত। তবে কাজটা বিরাট কোহলিদের জন্য মোটেই সহজ হবে না।
অতীত ইতিহাস বলছে, বাংলাদেশ যখন ভারতকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় তখনই ভীষণভাবে গর্জে উঠে। এই মুহুর্তে টাইগারদের বড় অনুপ্রেরনা হচ্ছে, দারুন ফর্মে থাকা বিশ্বসেরা অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সেই সঙ্গে রয়েছে মান সম্পন্ন পারফর্মার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, তামিম ইকবাল, অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তাজা, যিনি সামনে থেকেই দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানের মেধাকেও উপেক্ষা করা যাবেনা।
কয়েকদিনের ছুটি কাটিয়ে আসা বাংলা টাইগারকে যিনি বারবার ব্রেক দিচ্ছেন তিনি হচ্ছেন আসরের মহা তারকা সাকিব আল হাসান। ব্যাটে বলে সামনে থেকেই দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বিরাট কোহালির বিপক্ষে যখন লড়াইয়ে নামবে তখন আগ্রাসী হয়ে যিনি খেলবেন তিনি হচ্ছেন সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। কারণ ভারতের বিপক্ষে তার একটি তিক্ত অতীত রয়েছে ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। তখন অবশ্য দলটি ভাল অবস্থায় ছিলনা। সুযোগ পেলে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন মুশফিক।
এদিকে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজিত হওয়ার পর একদিনের ছুটি কাটিয়েছে ভারতও। এটি ছিল আসরে তাদের প্রথম হার। ওই ম্যাচে ভারতীয় দলের কিছু জায়গায় ঘাটতি ফুটে উঠেছিল, যেটি ঝালিয়ে নেয়ার প্রয়োজন। বিশেষ করে মিডল অর্ডারে। এখনো পর্যন্ত টপ অর্ডারের উপর বেশী নির্ভরশীল হয়ে রয়েছে ভারত। রোববারের ম্যাচে তাদের এই টপ অর্ডার নির্ভরতাটা প্রকট হয়ে ধরা দিয়েছে। হয়তো বলতে পারেন যে কোন একটি খারাপ দিন যেতে পারে। তেমন একটি খারাপ দিনেই হয়তো তারা ইংল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয়েছে। কিন্তু ওই হারের পরও শেষ চার প্রায় নিশ্চিত। । ব্যাটিং অর্ডারে চার নম্বর পজিশনে মনোযোগের দেয়ার দরকার রয়েছে। রোববারের ঋষভ পন্থকে এখানে খেলিয়েছে ভারত। কোহলি আউট হবার পর মাঠে নেমে ৩২ রান করেছেন তিনি। কিন্তু তিনি যেসব শট খেলেছেন, সেখানে বেশ কিছু বাজে শট ছিল। একজন মেধাবী খেলোয়াড়ের কাছ থেকে এমনটা প্রত্যাশিত ছিল না।
ভারতীয় বোলিং বিভাগ নিয়েও আলোচনার অবকাশ রয়েছে। কারণ সঠিক সিমার নিয়েও শুরুতে উইকেট ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে ভারত। ফলে যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদব ইংলিশদের তেমন একটা চ্যালেঞ্জে ফেলতে পারেনি। শুরুতে মোহাম্মদ সামি ও জসপ্রিত বুমরাহ চমৎকার বল করলেও স্বাগতিক ওপেনাররা তাদের নাস্তানাবুদ করেছে।
বাসস/ওযেবসাইট/এমএইচসি/২০২০/স্বব