বাসস ক্রীড়া-১৫ : খুশি বোর্ডার

360

বাসস ক্রীড়া-১৫
ক্রিকেট-বিশ্বকাপ-অস্ট্রেলিয়া
খুশি বোর্ডার
লন্ডন, ৩০ জুন, ২০১৯ (বাসস) : অসাধারণ পারফরমেন্স দিয়ে প্রথম দল হিসেবে চলতি টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করা অস্ট্রেলিয়া ফের সম্ভাব্য বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ী দলের অবয়ব ফিরেছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক কিংবদন্তী ক্রিকেটার এ্যালান বোর্ডার।
শনিবার লর্ডসে শীর্ষ ফেভারিট নিউজিল্যান্ডকে ৮৬ রানে হারিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। টুর্নামেন্টের শুরুতে শুধুমাত্র ভারতের কাছে হার মানা এ্যারন ফিঞ্চের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া প্রথম দল হিসেবে ইতোমধ্যেই শেষ চার নিশ্চিত করেছে। আইসিসির কলামে বোর্ডার লিখেছেন, ‘ভদ্রোচিত একটি শুরু দিয়ে বিশ্বকাপ মিশনে নামা অস্ট্রেলিয়া গতকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের মাধ্যমে ফের বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের অবয়বে ফিরেছে। এটি ছিল নজরকাড়া একটি জয়, কারণ সেখানে তাদের কঠিন লঢ়াই করতে হয়েছে।’
টুর্নামেন্টে রান পেতে তিন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান এ্যারন ফিঞ্চ, ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথের ওপর তারা নির্ভর করেছে। ধারাবাহিক রান পাচ্ছেন পাচ্ছেন এবং টুর্নামেন্ট যত এগোচ্ছে তারা ততই ভাল করছে এবং এটা খুবই ভাল লক্ষণ।
‘টুর্নামেন্টে দলের অবস্থানে আমি সত্যিই আত্মবিশ্বাসী। ভারত ও ইংল্যান্ডও যথেষ্ঠ সম্মান পেতে পারে এবং তাদেরকে হিসেবের বাইরে রাখা যাবেনা। তবে পুরনো অনুভুতি অবশ্যই ফিরে এসেছে।’
অস্ট্রেলিয়ার শিরোপা অক্ষুণœ রাখতে পেসার মিচেল স্টার্ককে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেন বোর্ডার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৬ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন স্টার্ক। এ ম্যাচ দিয়েই টুর্নামেন্টে আবারো সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর স্থানটি ফিরে পেয়েছেন তিনি।
১৯৮৭ বিশ্বকাপ জয়ী াস্ট্রেলিয়া দলের নেতৃত্ব দেয়া বোর্ডার বলেন, ‘পিঠে সমস্যা এবং আরো কিছু কারণে টুর্নামেন্টের আগে খেলায় তার একটা ছেদ পড়েছে। তবে এখানে দারুণ ছন্দ পেয়েছেন তিনি এবং বেশ গতি দিয়ে বোলিং করছেন। অনায়াসেই ঘন্টায় ৯০ মাইলের বেশি গতিতে বল ছুড়ছেন। যে কারণে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর তালিকায় অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে।’
‘বড় ম্যাচগুলোতে তিনি যা করছেন তাতে অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দলে তাকে আপনার রাখতেই হবে।’
‘অনেক বিকল্প থাকতে পারেভ তবে বড় ম্যাচে সে ভাল করেই থাকে। যথাসময়ে সে জ্বলে উঠেছে এবং অস্ট্রেলিয়া শিরোপা জয়ে শক্ত দাবীদার। ছয় মাস আগেও তারা যেভাবে ধুকেছে তাতে এটা অবিশ্বাস্য।’
বাসস/এমএইচসি/১৯৪০/স্বব