চলতি অর্থবছরে ময়নামতি জাদুঘর এবং শালবন বিহারে প্রায় ১৬ লাখ দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন

354

কুমিল্লা, ২৫ জুন ২০১৯ (বাসস) : জেলার ময়নামতি জাদুঘর থেকে চলতি অর্থবছরে এককোটি টাকার অধিক রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। একই সময়ে প্রায় ১৬ লাখ দেশি-বিদেশি দর্শনার্থী-পর্যটক ময়নামতি জাদুঘর এবং শালবন বিহারসহ কুমিল্লার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানসমূহ পরিদর্শন করেন।
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লার ময়নামতি জাদুঘরের রেষ্ট হাউসে অনুষ্ঠিত ‘প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রত্নপর্যটন’ বিষয়ক এক সেমিনারে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক ড. মো. আতাউর রহমান এসব কথা জানান।
সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিয়া মোহাম্মদ কেয়াম উদ্দিন।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কুমিল্লা আঞ্চলিক পরিচালক ড. মো. আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক শামীমুল ইসলাম।
আরও বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান মো. আবদুর রহমান, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির উপপরিচালক মো. আবদুল মান্নান, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক ড. আহমেদ আবদুল্লাহ, ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. হাফিজুর রহমান।
সেমিনারে বক্তারা উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের ‘রূপকল্প-২০৪১’ ও এসডিজি যথাযথভাবে বাস্তবায়নে ইতিহাস-ঐতিহ্য জানার জন্য প্রত্নতত্ত্ব স্থানসমূহের খনন কাজ বৃদ্ধিকরণ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানসমূহ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য মতামত ব্যক্ত করেন।
সেমিনারে জানানো হয়,প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের অধীনে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম এবং সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্নস্থানে ১০টি প্রত্নতত্ত্ব স্থানের সংস্কার এবং ওই স্থানসমূহের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বাসস/সংবাদদাতা/১৯১৫/এমকে