বাসস ক্রীড়া-১৫ : বিশ্বকাপে উইকেট শিকারের মূল মন্ত্র নিখুঁত বোলিং : বুমরাহ

276

বাসস ক্রীড়া-১৫
ক্রিকেট-বিশ্বকাপ-ভারত-বুমরাহ
বিশ্বকাপে উইকেট শিকারের মূল মন্ত্র নিখুঁত বোলিং : বুমরাহ
সাউদাম্পটন, ২১ জুন ২০১৯ (বাসস) : জসপ্রিত বুমরাহ বলেছেন, ভারতীয় পেসারদের এখন পুরো মনোযোগ হচ্ছে নিখুঁত বোলিংয়ে। ইংল্যান্ডের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটের বিশ্বকাপে এটিই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার একমাত্র উপায়।
এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে অবস্থান করা বুমরাহ আসরে এ পর্যন্ত তিন ম্যাচে ৫ উইকেট সংগ্রহ করেছেন তিনি। যা ভারতকেঅপরাজিত রাখতে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করেছে।
২৫ বছর বয়সি ভারতীয় পেসার বলেন,‘ ইংল্যান্ডের উইকেটগুলো বিশ্বের নিস্প্রান উইকেট গুলোর অন্যতম। যেখানে বোলাদের ধুকতে হচ্ছে। শনিবার সাউদাম্পটনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে এই পেসার বলেন, ‘ইংল্যান্ডের উইকেটগুলো নিস্প্রান। আমার মতে বোলারদের জন্য এগুলো খুবই কঠিন উইকেট। সেখান থেকে কোন সুবিধাই পাওয়া যাচ্ছেনা।’
তিনি বলেন,‘ মেঘাচ্ছন্ন কন্ডিশনে বল সুইং করবে বলে মনে হলেও কোনভাবেই সুইং বা সিম করেনা। ফলে আপনাকে নিখুঁত বোলিংয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।’
হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে ভুবনেশ্বর কুমার দুই থেকে তিন ম্যাচের জন্য বাইরে চলে যাওয়ায় মোহাম্মদ সামির সঙ্গে নতুন বলের বোলিংয়ে সামিল হতে হবে বুমরাহকে। তবে সিম পার্টনারের পরিবর্তেনে তার পরিকল্পনা ব্যাহত করতে পারবেনা। তিনি বলেন,‘ আমরা শুধু নিজেদের সামর্থ্যের দিকেই মনোযোগী। যখন আমি ভুবির (ভুবনেশ্বর কুমার) সঙ্গে বল করি তখন একে অপরের সঙ্গে পরামর্শ করে নিই। এর আগে আমি সামির সঙ্গেও বল করেছি। অতীতেও আমাদের তিনজনের মধ্যে দু’জন খেলেছি। আমরা শুধু নিজেদের দায়িত্বের দিকেই মনোযোগ দিয়ে থাকি। তাই সেটি বাঁধাগ্রস্ত হয়না।’
ভারতের জন্য যেটি বড় ক্ষতি হয়েছে সেটি হচ্ছে মাঝপথে আঙ্গুল ভেঙ্গে ওপেনার শিখর ধাওয়ানের ছিটকে পড়া। তবে বুমরাহ’র মতে বিরাট কোহলির দলে মানসম্পন্ন বিকল্প রয়েছে। ধাওয়ানের পরিবর্তিত হিসেবে স্কোয়াডে যুক্ত হয়েছেন ঋষভ পন্থ।
বুমরাহ বলেন, ‘বিষয়টি অবশ্যই অপ্রত্যাশিত। তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সত্যিই ভাল খেলেছিলেন। দলের খুবই গুরুত্বপুর্ন সদস্য। তবে আমাদের নিজেদের উপর দারুন আস্থা রয়েছে। আমরা ভারসাম্যপুর্ন। পরিবর্তনে আমরা ভীত নই। পরিবর্তিত হিসেবে যারা আসছেন তারাও ভাল ও মান সম্পন্ন। যে কোন পরিস্থিতির সামাল দিতে সক্ষম।’
বাসস/ওয়েবসাইট/এমএইচসি/১৯২০/স্বব