বাসস দেশ-২৩ : সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে কাজ করছে সরকার : ড. হাছান মাহমুদ

605

বাসস দেশ-২৩
হাছান-সরকার
সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে কাজ করছে সরকার : ড. হাছান মাহমুদ
চট্টগ্রাম, ১১ মে, ২০১৯ (বাসস) : তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার বাংলাদেশকে একটি সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে কাজ করছে।
সেজন্য চলতি বাজেটের ১৩.৫ শতাংশের বেশি সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের ২৫ শতাংশ মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আনা হয়েছে।
মন্ত্রী আজ চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় যার জমি আছে ঘর নেই এমন গৃহহীনদের মাঝে ঘর বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ ও দরিদ্রদের মাঝে ছাগল বিতরণ করেন। রাঙ্গুনিয়ার ২১০টি দরিদ্র পরিবারে ঘর বিতরণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান চৌধুরী। সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পূর্বিতা চাকমা, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, মনোয়ারা বেগম, রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম চৌধুরী প্রমুখ।
হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশে দারিদ্র বিমোচন। এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠির উন্নয়ন। সেই লক্ষ্য নিয়েই ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই কারণে আজকে অভাবনীয়ভাবে দারিদ্র বিমোচিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করেন তখন বাংলাদেশে দারিদ্র সীমার নিচে মানুষের হার ছিল ৪০ শতাংশের বেশি। আজকে সেটি ২০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। এ হার পাকিস্তান ও ভারতের চেয়েও কম। ভারত ও পাকিস্তানে দারিদ্র সীমার নিচে বাস করা মানুষের সংখ্যা বাংলাদেশের চেয়ে বেশি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে গ্রামে দারিদ্রতা যেমন নেই বললেই চলে। বাধ্য হয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করা গ্রাম থেকেও উঠে গেছে। ক্রমান্বয়ে সারাদেশে যাতে কোন গরীব মানুষ না থাকে সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে।
বাসস/জিই/এসকেবি/কেসি/২০১৫/আরজি