বাসস দেশ-৩৯ : রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষের বাড়িতে আশু খনন কাজ শুরুর দাবি

414

বাসস দেশ-৩৯
রবীন্দ্রনাথ-বাড়ি-পূর্বপুরুষ
রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষের বাড়িতে আশু খনন কাজ শুরুর দাবি
খুলনা, ৬ মে, ২০১৯ (বাসস) : রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষের একটি বাড়ি আশু খননের দাবি করছে রবীন্দ্রভক্ত অনুরাগী ও দর্শণার্থীরা। নোবেল বিজয়ী এই বাঙালি কবির পিতৃপুরুষের বাড়িটির সন্ধান মিলেছে রূপসা উপজেলার পিথাভোগ গ্রামে। প্রতœতত্ত্ববিদরা মনে করছেন, এই বাড়িটি রবীন্দ্রনাথের ১৪তম পিতৃপুরুষ ওই এলাকার তদানিন্তন জমিদার জগন্নাথ কুশারির বাড়ি।
২০১১ সালের ২৮ এপ্রিল রবীন্দ্র জন্মের ষার্ধশতবার্ষিকী উদযাপনের প্রাক্কালে ভূতাত্ত্বিকগণ রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষের এই বাড়ির সন্ধান পান।
এ সময় ভূতত্ত্ববিদগণের একটি বিভাগীয় দল প্রাথমিক ও পরীক্ষামূলকভাবে কবির পূর্বপুরুষের বাড়িটি আবিস্কার ও খনন করে। প্রায় তিন থেকে চার ফুট খননের পর ভূতত্ত্ববিদগণের দলটি ৩০ ফিট /২০ ফিট একটি বাড়ির অবকাঠামো খুঁজে পায়। যেখানে এক সময় রবীন্দ্রনাথের ১৪তম পিতৃপুরুষদের বসতি ছিল বলেই মনে করেন তারা।
ভূতত্ত্ব বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ আকবর এই এলাকায় রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালা নির্মাণের জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে এক প্রস্তাবনাও প্রেরণ করেন বলে জানা যায়। রূপসা কলেজের অধ্যক্ষ এফএম সালাম বলেন, ‘সরকার রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষের বাড়ি সংরক্ষণের প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন তাহলে কেন এই বাড়িটি খনন করে বের করা হবে না?’ তিনি একে‘ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালা বা রবীন্দ্র জাদুঘরে পরিণত করার দাবি জানান। নগরীর খান জাহান আলী সড়কের বাসিন্দা শিল্পী সোনিয়া আহমেদ, বৃহস্পতিবার এলাকাটি ঘুরে দেখে এসে কবিগুরুর পিতৃপুরুষের এ বাড়িটিকে রবীন্দ্র কমপ্লেক্স ও একটি রবীন্দ্র গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান।
খুলনার ভূতত্ত্ব বিভাগের পরিচালক আফরোজা মিতা জানান, ২০১৫ সালের ১৫ মে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বাড়িটি খননের জন্য ওই এলাকার দশমিক ১৫ একর জমির কথা উল্লেখিত হলেও এখন পর্যন্ত জমির দখল মন্ত্রণালয় নিতে পারেনি।
বাসস/জেডএইচ/অনু-জেজেড/২১৪৫/কেএমকে