বাজিস-১ : লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ কাজ চলছে

340

বাজিস-১
লক্ষèীপুর-সদর-হাসপাতাল
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ কাজ চলছে
লক্ষ্মীপুর, ২৫এপ্রিল, ২০১৯ (বাসস) : জেলা সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ চলছে। আধুনিক ও উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ২০১৭ সালে এ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই মধ্য দিয়ে পূরণ হতে যাচ্ছে জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত একটি দাবি।
গণপূর্ত উপ-বিভাগ (সিভিল) লক্ষ্মীপুরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, জেলা সদর হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। প্রকল্পটিতে রয়েছে, একটি বেইজমেন্টসহ ১২ তলা ভীত বিশিষ্ট ৮ তলা হাসপাতাল ভবন, আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার, পাম্প মোটর, ডিপ টিউবওয়েল, বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন, জেনারেটর, কম্পাউন্ড ও গার্ডেন লাইট, এয়ারকুলার, ফায়ার প্রোটেকশন সিস্টেম, পিএবিএ সিস্টেম, সোলার প্যানেল, সিসিটিভি, প্যাসেঞ্জার লিফট, প্যাসেঞ্জার কাম বেড লিফট, মেডিকেল গ্যাস সিস্টেম, সীমানা প্রাচীর, আরসিসি রাস্তা, কম্পাউন্ড ড্রেন, ভূমি উন্নয়ন ইত্যাদি।
২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে প্রকল্পটির মেয়াদকাল শুরু হয়। দরপত্রের মাধ্যমে ৩৫ কোটি ৩৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯৬৪ টাকা চুক্তিমুল্যে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রূপালী-জিএম সন্স কনসোর্টিয়াম এ প্রকল্পটির কাজ পেয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে চলমান প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে গণপূর্ত বিভাগ।
জেলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফেরদৌস-উজ-জামান বাসসকে বলেন, যথাযথ মান বজায় রেখে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে নির্মাণ কাজ। এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীগণ তৎপর রয়েছেন। আশা করি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা খালেদ আহমেদ বাসসকে বলেন, বিগত দিনে নানা সংকটের কারণে জেলা সদর হাসপাতালে আধুনিক ও উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল না। তবে বর্তমান সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ওইসব সংকট নিরসন হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জেলার প্রায় ১৭ লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বাসস/সংবাদাতা/৯৪৫/নূসী